গাজী সাইলেজ বাংলাদেশের খামারিদের জন্য উচ্চমানের ভুট্টার সাইলেজ উৎপাদন ও সরবরাহ করে আসছে। সঠিক সময়ে কাটা উন্নতমানের ভুট্টা, আধুনিক প্রযুক্তিতে সংরক্ষণ এবং কঠোর মান নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে আমরা প্রতিটি ব্যাগে নিশ্চিত করি সর্বোচ্চ পুষ্টিগুণ। আমাদের লক্ষ্য হলো দেশের প্রতিটি গরু, ছাগল ও দুগ্ধ খামারে সাশ্রয়ী মূল্যে মানসম্পন্ন সবুজ খাদ্য পৌঁছে দেওয়া, যাতে পশুর স্বাস্থ্য, দুধ উৎপাদন এবং খামারের লাভজনকতা বৃদ্ধি পায়।
প্রাকৃতিক উপকারী ব্যাকটেরিয়ার মাধ্যমে দ্রুত ও সঠিক ফার্মেন্টেশন নিশ্চিত করে। এতে পুষ্টিগুণ দীর্ঘদিন অক্ষুণ্ণ থাকে এবং সাইলেজের মান উন্নত হয়।
প্রতিদিনের খাদ্যে পর্যাপ্ত শক্তি, প্রোটিন ও ফাইবার সরবরাহে সহায়তা করে। গরু ও ছাগল আগ্রহের সাথে খায় এবং দুধ ও মাংস উৎপাদনে ভালো ফল পেতে সহায়ক।
সঠিকভাবে প্রস্তুত ও সংরক্ষিত প্রোবায়োটিক সাইলেজ ছত্রাক, দুর্গন্ধ ও অনাকাঙ্ক্ষিত নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে এবং দীর্ঘদিন ভালো মান বজায় রাখে।
প্রোবায়োটিক সাইলেজ হলো উচ্চমানের সবুজ ভুট্টা বা অন্যান্য পশুখাদ্য বিশেষ উপকারী ব্যাকটেরিয়ার (Probiotic) সাহায্যে সংরক্ষণ করে তৈরি করা পুষ্টিকর খাদ্য। এটি দীর্ঘদিন সতেজ থাকে এবং পশুর স্বাস্থ্য ও উৎপাদনশীলতা বাড়াতে সহায়তা করে।
প্রোবায়োটিক সাইলেজ পশুর হজমশক্তি উন্নত করে, দুধ ও মাংসের উৎপাদন বৃদ্ধি করে, খাদ্যের অপচয় কমায় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
এটি দুধাল গরু, মোটাতাজাকরণ গরু, ছাগল, ভেড়া এবং অন্যান্য রোমন্থক প্রাণীর জন্য উপযোগী। পশুর বয়স ও ওজন অনুযায়ী পরিমাণ নির্ধারণ করা উচিত।
সঠিকভাবে বায়ুরোধী অবস্থায় সংরক্ষণ করলে প্রোবায়োটিক সাইলেজ সাধারণত ১২ থেকে ২৪ মাস পর্যন্ত ভালো থাকে এবং এর পুষ্টিগুণ বজায় থাকে।
পশুর ওজন, বয়স এবং উৎপাদন অবস্থার ওপর নির্ভর করে পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়। সাধারণভাবে অন্যান্য খাদ্যের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমাণ সাইলেজ খাওয়ানো উত্তম। প্রয়োজনে আমাদের বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
হ্যাঁ। বছরের যেকোনো সময়, বিশেষ করে সবুজ ঘাসের সংকটকালে প্রোবায়োটিক সাইলেজ একটি নির্ভরযোগ্য ও সুষম পশুখাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
আমাদের ওয়েবসাইট, ফেসবুক পেজ অথবা ফোন নম্বরে যোগাযোগ করে সহজেই অর্ডার করতে পারবেন। আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী দ্রুত ডেলিভারির ব্যবস্থা করা হয়।

"গাজী সাইলেজ ব্যবহার করার পর আমার দুধাল গরুর দুধের উৎপাদন আগের তুলনায় বেড়েছে। সাইলেজের মান খুবই ভালো এবং গরুগুলো আগ্রহ নিয়ে খায়।"
"বছরের যে সময়ে সবুজ ঘাসের সংকট থাকে, তখন গাজী সাইলেজ আমাদের খামারের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য খাদ্য। মান, গন্ধ এবং প্যাকেজিং সবই সন্তোষজনক।"
"প্রোবায়োটিক সাইলেজ ব্যবহারের পর গরুর হজম ভালো হয়েছে এবং খাবারের অপচয় অনেক কমেছে। আমি নিয়মিত গাজী সাইলেজই ব্যবহার করছি।"
"ডেলিভারি সময়মতো পেয়েছি এবং সাইলেজের মান নিয়ে কোনো অভিযোগ নেই। নতুন খামারিদের জন্যও আমি গাজী সাইলেজের পরামর্শ দিই।"
"আমার গরুগুলো খুব সহজেই সাইলেজ গ্রহণ করেছে। নিয়মিত ব্যবহারে গরুর শারীরিক অবস্থা ভালো রয়েছে এবং উৎপাদনেও ইতিবাচক পরিবর্তন দেখছি।"